হৃদয়-জমিনে যখন নামে গোধূলির ম্লান ছায়া,
শব্দেরা তখন চিনে নেয় এক অলৌকিক মায়া।
কলম নয়, যেন এক গভীর দীর্ঘশ্বাস কথা বলে,
স্মৃতির নৌকো ভাসে তখন ভাবনার নীল জলে।
এখানে কবিতা মানে কেবল ছন্দের কারসাজি নয়,
এখানে কবিতা মানে এক অজেয় আত্মপরিচয়।
রঙের রেখায় যখন ফোটে অব্যক্ত কোনো ছবি,
মৌনতা চিরে জেগে ওঠে এক কালজয়ী রবি।
এক ফালি রোদে যেমন থাকে সহস্র প্রাণের গান,
তেমনি এক চিমটি ভাবে জাগে শিল্পের পরম প্রাণ।
মানুষ তো মরে যায়, শুধু থেকে যায় সৃষ্টির সুর,
মাটির পৃথিবীতে মিশে থাকে নক্ষত্রের রোদ্দুর।
ক্ষনিকের এই জীবন-মেলায় কেই বা কার চিরকাল?
তবুও শিল্পের টানে ছিঁড়ে যায় সব মিথ্যে মায়াজাল।
নৈঃশব্দ্যের এই অলিন্দে যখন শব্দেরা ডানা মেলে,
মহাকাল তখন থমকে দাঁড়ায় সৃজনের প্রদীপ জ্বেলে।
লেখা: রাজু আহমেদ


Post A Comment:
0 comments: